• মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ ||

  • শ্রাবণ ৭ ১৪৩১

  • || ১৫ মুহররম ১৪৪৬

বাইকের হাইড্রলিক ডিস্ক ঠান্ডা রাখবেন যেভাবে!

আজকের টাঙ্গাইল

প্রকাশিত: ৮ জুলাই ২০২৪  

মোটর বাইক একটানা চালালে হাইড্রলিক ডিস্ক ব্রেক প্রচন্ড গরম হয়ে যায়। তা যদি ঠান্ডা না করেন, তাহলেই বিপদ। আর এই ঠান্ডা করার জন্য অনেকই ঠান্ডা পানি ব্যবহার করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, যা করা উচিত নয়।

হাইড্রলিক ডিস্ক ব্রেক ঠান্ডা করার জন্য সঠিক উপায় মেনে চলা উচিত। আসুন জেনে নেয়া যাক সেই টিপস।

মোটর বাইকের সঙ্গে যুক্ত থাকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পার্টস। সেগুলোর সঠিক যত্ন না নিলে শুধু খরচ বাড়বে না, দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়বে। বিশেষ করে বাইকের ব্রেকিং পার্টস। আজকাল বেশিরভাগ মোটরসাইকেলেই থাকে ডিস্ক ব্রেক। আর সেগুলো একটানা চালানোর ফলে ডিস্ক ব্রেক গরম হয়ে যায়। তা ঠান্ডা করার জন্য ঠান্ডা পানি ব্যবহার করা উচিত নয়, বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

ডিস্ক ব্রেক কী ও কেন গরম হয়?
একটা সময় দামি বাইকে পাওয়া যেত ডিস্ক ব্রেক। কিন্তু সেফটির কথা মাথায় রেখে এখন কম দামি ও কম সিসির বাইকেও যোগ করা হয় ডিস্ক ব্রেক। হাইড্রলিক চাপের মাধ্যমে কাজ করে ডিস্ক ব্রেক। এটি কম দামি ড্রাম ব্রেকের তুলনায় উন্নত এবং ভালো নিয়ন্ত্রণ দেয় রাইডারকে। শুধু বাইক নয়, গাড়ি, বাস ও ট্রাকেও ব্যবহার হয় ডিস্ক ব্রেক।

এই ব্রেকিং সিস্টেম ড্রাম ব্রেকের তুলনায় ব্যয়বহুল। তাই সঠিক যত্ন নেয়া উচিত। খারাপ হয়ে গেলে তা সারাতে মোটা টাকা খরচ হতে পারে।

ডিস্ক ব্রেক গরম হওয়ার মূল কারণ হল ফ্রিকশন। অর্থাৎ একটানা সংঘর্ষের ফলে ব্রেক থেকে তাপ উৎপন্ন হয়। তাই সেসময় ডিস্ক ব্রেকে হাত দিতে বারণ করেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, এই সময় ঠান্ডা পানির ব্যবহার করা উচিত নয়।

ডিস্ক ব্রেক ঠান্ডা করার জন্য কী করবেন?
বাইকের ডিস্ক ব্রেকে ঠান্ডা পানি দিলে থার্মাল শক হতে পারে। দ্রুত তাপমাত্রায় পরিবর্তনের ফলে খারাপ হয়ে যেতে পারে ব্রেকিং সিস্টেম। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, ঠান্ডা পানি নয়, প্রাকৃতিক উপায়ে ঠান্ডা করার চেষ্টা করা উচিত। অর্থাৎ তাড়াহুড়ো না করে, বাইকটি কিছুক্ষণ খোলা বাতাসের নিচে বিশ্রামে রাখুন।

বাতাসের সংস্পর্শে এসে নিজে থেকেই স্বাভাবিক তাপমাত্রায় চলে আসবে ডিস্ক ব্রেক। অতিরিক্ত সংঘর্ষণের ফলে বাইকের ডিস্ক ব্রেক এবং অন্যান্য পার্টস দ্রুত ক্ষতি হতে পারে। তাই একটানা রাইডিংয়ের পর কিছুটা সময় বাইক বিশ্রামে রাখা উচিত।

বর্তমানে অধিকাংশ বাইকে থাকে ডিস্ক ও ড্রাম ব্রেকের মিশ্রণ। কোনো বাইকের দুইপ্রান্তে থাকে ডিস্ক প্লেট। যা রাইডারের সেফটি নিশ্চিত করে। এর সঙ্গে আধুনিক অ্যান্টি লক ব্রেকিং সিস্টেম পাওয়া যায় বাইকে। এই ফিচারটিও একটা সময় দামি বাইকে দেখা যেত। কিন্তু সেফটির কথা ভেবে কম দামি বাইকেও আজকাল পাওয়া যায় অ্যান্টি লক ব্রেকিং বা এবিএস।

আজকের টাঙ্গাইল
আজকের টাঙ্গাইল