• বুধবার   ১৮ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৪ ১৪২৯

  • || ১৭ শাওয়াল ১৪৪৩

আজকের টাঙ্গাইল
সর্বশেষ:
টাইমবাজারে অভিজাত প্রসাধনী সামগ্রী নিয়ে আমানিয়া স্টোর`র উদ্ধোধন মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে দেশে ফিরেছিলাম: প্রধানমন্ত্রী একমাত্র শেখ হাসিনাই বাংলাদেশের জন্য অপরিহার্য: শেখ পরশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা গৌতম ঘোষের সাক্ষাৎ এসডিজি অর্জনে সম্মিলিত চেষ্টা ও উদ্ভাবনী ভাবনায় গুরুত্বারোপ আরও এক শ’ কারিগরি স্কুল ও কলেজ হচ্ছে ‘বাংলাদেশের পরিস্থিতি শ্রীলঙ্কার মতো হওয়ার সুযোগ নেই’ গম রপ্তানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশের জন্য নয় পুরস্কার পাবেন মাঠ পর্যায়ে ভূমির সেরা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট থেকে আয় ৩০০ কোটি ছাড়িয়েছে: বিএসসিএল

একটি জাতির উন্নয়নের মূল বিষয় প্রযুক্তি ও প্রকৌশলগত উন্নয়ন

আজকের টাঙ্গাইল

প্রকাশিত: ৭ মে ২০২২  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন তৎপরতায় প্রকৌশলীদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তি ও প্রকৌশলগত উন্নয়নই একটি জাতির উন্নয়নের মূল বিষয়।’
 
শুক্রবার (৬ মে) ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) এর ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও 'ইঞ্জিনিয়ার্স ডে' উপলক্ষে এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। এ উপলক্ষে তিনি দেশের সকল প্রকৌশলীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুজিববর্ষ ও মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী লগ্নে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করেছে। এ অনন্য অর্জনে প্রকৌশলীদের অবদান আছে।’

জলবায়ু পরিবর্তন ও তার বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় উপযোগী অবকাঠামো নির্মাণে এবং খাদ্য জ্বালানি নিরাপত্তা অর্জনে প্রকৌশলীদের আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতার স্বপ্নের উন্নত ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রকৌশলীরা মুখ্য ভূমিকা রাখবেন বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়ে দেশে পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, কর্ণফুলী টানেল, এলএনজি টার্মিনাল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, ১০০টি বিশেষ অঞ্চলসহ সড়ক, রেল, নৌ ও যোগাযোগ অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। এ সব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে প্রকৌশলীগণই মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন।’

তিনি বলেন, 'আমাদের সরকার সবসময়ই প্রকৌশলীদের পাশে আছে। ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে আমরা আইইবি ভবন নির্মাণের জন্য রমনায় ১০ বিঘা জমি রেজিস্ট্রেশন করে দিয়েছি। এছাড়া ভবনের কাজ শুরু করার জন্য ৫ কোটি টাকা, দাউদকান্দিতে ইঞ্জিনিয়ারিং স্টাফ কলেজ নির্মাণের জন্য ৭২ বিঘা জমি, স্টাফ কলেজের দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্মাণ কাজ শুরু করার জন্য ৪৬ কোটি টাকা, খুলনা কেন্দ্রের জন্য কেডিএ এর জায়গা বরাদ্দ, পূর্বাচলে আইইবির জন্য ২ বিঘা জমি, রাঙ্গাদিয়া, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, দিনাজপুর কেন্দ্র এবং ফেনী ও কক্সবাজার উপকেন্দ্রের জন্য জমি প্রদান করেছি। আইইবি ভবনের জন্য সর্বমোট ৪৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছি।'

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী যুদ্ধ-বিধ্বস্ত বাংলাদেশের পুনর্গঠনেও প্রকৌশলীগণ অনন্য ভূমিকা পালন করেছিলেন। প্রযুক্তি ও প্রকৌশলগত উন্নয়নের মাধ্যমে প্রকৌশলীরা দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিচ্ছেন।’ তিনি ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) এর ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

আজকের টাঙ্গাইল
আজকের টাঙ্গাইল