• বুধবার   ১৮ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৪ ১৪২৯

  • || ১৭ শাওয়াল ১৪৪৩

আজকের টাঙ্গাইল
সর্বশেষ:
টাইমবাজারে অভিজাত প্রসাধনী সামগ্রী নিয়ে আমানিয়া স্টোর`র উদ্ধোধন মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে দেশে ফিরেছিলাম: প্রধানমন্ত্রী একমাত্র শেখ হাসিনাই বাংলাদেশের জন্য অপরিহার্য: শেখ পরশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা গৌতম ঘোষের সাক্ষাৎ এসডিজি অর্জনে সম্মিলিত চেষ্টা ও উদ্ভাবনী ভাবনায় গুরুত্বারোপ আরও এক শ’ কারিগরি স্কুল ও কলেজ হচ্ছে ‘বাংলাদেশের পরিস্থিতি শ্রীলঙ্কার মতো হওয়ার সুযোগ নেই’ গম রপ্তানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশের জন্য নয় পুরস্কার পাবেন মাঠ পর্যায়ে ভূমির সেরা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট থেকে আয় ৩০০ কোটি ছাড়িয়েছে: বিএসসিএল

বাংলাদেশের কারণেই পূর্ব সীমান্তে শান্তি

আজকের টাঙ্গাইল

প্রকাশিত: ২৪ এপ্রিল ২০২২  

ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছেন, ‘ভারতের পূর্ব সীমান্তে বাংলাদেশের মতো বন্ধুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র থাকার কারণে সেখানে শান্তি ও সুস্থিতি বজায় আছে।’ শনিবার আসামের রাজধানী গুয়াহাটিতে অনুষ্ঠিত ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে অতুলনীয় সেবা, ত্যাগ এবং সাহসিকতার জন্য রাজ্যটির বীর যোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে রাজনাথ সিং বলেন, ‘পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়ে বাংলাদেশ গঠনের পর সবচেয়ে যদি কারও লাভ হয়ে থাকে তবে তা উত্তর-পূর্ব ভারত। কেননা দেশের পশ্চিমাঞ্চল সীমান্ত বরাবর আমরা যে ধরনের উত্তেজনা দেখতে পাই, ওই ধরনের উত্তেজনাময় পরিবেশ বাংলাদেশ সীমান্তে কখনই আমরা দেখতে পাই না। তার কারণ হলো বাংলাদেশ আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র। একটা সময় এই সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের সমস্যা ছিল কিন্তু সেটাও এখন প্রায় প্রায় নেই বললেই চলে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে এখন শান্তি ও সুস্থিতি দুটিই বিরাজ করছে। ভারতের কেন্দ্র-রাজ্যের মধ্যে মেলবন্ধনের কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে। এর ফলে আগের চেয়ে বর্তমান সময়ে উত্তর-পূর্ব ভারত অনেক বেশি উন্নয়নের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।’

সম্প্রতি উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে সেনাবাহিনীকে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া ‘আর্মড ফোর্সেস স্পেশাল পাওয়ারস অ্যাক্ট’ (আফস্পা) প্রত্যাহার প্রসঙ্গে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমি যখন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলাম সে সময় মেঘালয়, অরুণাচল প্রদেশ থেকে ওই আইন প্রত্যাহার করা হয়েছিল। সম্প্রতি আসামের ২৩টি জেলা এবং মণিপুর ও নাগাল্যান্ডের ১৫টি করে মোট ৩০টি পুলিশ থানা এলাকা থেকেও ওই আইন তুলে নেওয়া হয়েছে। ওইসব অঞ্চলগুলোতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরে আসার কারণেই এই আইন প্রত্যাহার করা সম্ভব হয়েছে।’

তার অভিমত ‘মানুষের মধ্যে একটা ভুল ধারণা আছে যে, সেনাবাহিনী হয়তো সব সময়ের জন্য তাদের হাতে এই ক্ষমতা রেখে দিতে চায়। কিন্তু তা নয়। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা দেখাটা সেনাবাহিনীর কাজ নয়। সেটা দেখে রাজ্য পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা। সত্যিটা হলো এই যে, ওই অঞ্চলের পরিস্থিতির ওপর বিচার করেই এই আফস্পা আইন প্রয়োগ করা হয়। এমনকি সামরিক বাহিনী (স্থল, বিমান, নৌ) চায় যে, জম্মু-কাশ্মীর থেকেও ওই আইন প্রত্যাহার করা হোক। কিন্তু কোনো কারণে যদি ওই আইন প্রয়োগ করা হয়, তার জন্য দায়ী সেখানকার গম্ভীর পরিস্থিতি, এর জন্য সেনাবাহিনী কোনো অংশেই দায়ী নয়। দেশবাসীর এটা বোঝা উচিত।’
এদিনের ওই অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যটির রাজ্যপাল জগদীশ মুখী, মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, ভারত সরকারের ‘পদ্মশ্রী’ সম্মাননাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) কাজী সাজ্জাদ জহির, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী প্রমুখ।

আজকের টাঙ্গাইল
আজকের টাঙ্গাইল