• শনিবার ২২ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৮ ১৪৩১

  • || ১৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

সর্বশেষ:

বাইরে থেকে কেউ এসে ক্ষমতায় বসিয়ে দেবে না: প্রধানমন্ত্রী

আজকের টাঙ্গাইল

প্রকাশিত: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা বিদেশিদের কাছে তদবির করে ক্ষমতায় যেতে চায় তাদের বয়কট করতে হবে, তাদের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সচেতন থাকতে হবে। বাইরে থেকে কেউ এসে দোলনায় করে ক্ষমতায় বসিয়ে দেবে না। এখন আর দালালি করে ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ নেই।
বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৩’ উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বাংলাদেশের উন্নয়নের দিকেই নজর দিয়েছি। বাংলাদেশের উন্নয়ন করার জন্যই কাজ করেছি। তারা যা করেছে (বিএনপি) তার কিছুই তাদের সঙ্গে করতে যাইনি। তারপরও দেখি দেশে বিদেশে গিয়ে হাহাকার করে, কেঁদে বেড়ায়। এখন তারা (বিএনপি) আন্দোলন করবে, সরকার উৎখাত করবে, অনেক কথাই বলে যাচ্ছে। অনেক আয়োজনও করেছে। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ এখন অনেক সচেতন এবং ইতিহাস সম্পর্কে জানে।

তিনি আরো বলেন, ১০ ডিসেম্বর নিয়ে বিএনপি অনেক হম্বিতম্বি করেছে, মিটিং-মিছিল করেছে যাতে সরকার বাধা দেয়নি কিন্তু বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল আওয়ামী লীগ তখন একটা মিছিল-মিটিংও করতে পারতো না। সবজায়গায় বাধা এবং নেতাকর্মীদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন করা হয়েছে। মেয়েদের রাস্তায় ফেলে পিটিয়েছে, কাপড়-চোপড় পর্যন্ত ছিঁড়ে ফেলেছে। একদিকে ছাত্রদল আর একদিকে পুলিশের সেই অকথ্য নির্যাতনের কথা ভোলার নয়।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৮ এর নির্বাচনের পর আরো দুইবার টানা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসেছে আওয়ামী লীগ। আজকে বাংলাদেশের চেহারা পাল্টে গেছে। ভূমিহীন-গৃহহীনকে ঘর করে দেওয়ার ও তাদের জীবন-জীবিকার ব্যবস্থা, খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবাসহ মৌলিক চাহিদাগুলো নিশ্চিত করার প্রচেষ্টার মাধ্যমে সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটেছে।

সরকার প্রধান বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারের ঘোষণা অনুযায়ী রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা এনে দিয়েছি। আর সেটাই বিএনপি ধ্বংস করতে চাইছে। কিন্তু জনগণ তা হতে দেবে না। ২০১৩, ১৪ ও ১৫ সালে বিএনপি-জামায়াতের তথাকথিত আন্দোলনের নামে জীবন্ত মানুষ পোড়ানোর ইতিহাস মানুষ কীভাবে ভুলবে?

এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, জাতীয় সংসদের উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরী, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, উপ-প্রচার সম্পাদক সৈয়দ আব্দুল আউয়াল শামীম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

সভার শুরুতে ভাষা আন্দোলন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ, জাতির পিতা এবং বঙ্গমাতাসহ ’৭৫ এর ১৫ আগস্টের শহীদ, জাতীয় চার নেতা এবং ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলাসহ প্রগতিশীল গণআন্দোলনের সব শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

আজকের টাঙ্গাইল
আজকের টাঙ্গাইল