• শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৬ ১৪৩১

  • || ২২ জ্বিলকদ ১৪৪৫

আজকের টাঙ্গাইল

বঙ্গবন্ধুর বায়োপিক দেখতে উপচেপড়া ভিড়

আজকের টাঙ্গাইল

প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর ২০২৩  

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে শুক্রবার দেশব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে বঙ্গবন্ধুর বায়োপিক ‘মুজিব : একটি জাতির রূপকার’। এতে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ। ছবিটি পরিচালনা করেছেন ভারতের প্রখ্যাত নির্মাতা শ্যাম বেনেগাল। বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত এ সিনেমাটিতে দুই দেশের দেড় শতাধিক শিল্পী অভিনয় করেছেন। 

শুক্রবার থেকে সিনেপ্লেক্সসহ দেশের ১৫০টি প্রেক্ষাগৃহের ১৮০টি পর্দায় দেখানো হচ্ছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনীনির্ভর এ সিনেমা।  পর্দায় প্রদর্শনের ক্ষেত্রে এটা একটা রেকর্ড ।

রাজধানীর মধুমিতা সিনেমা হলে শুক্রবার সকালের শোতে দেখা যায় উৎসুক দর্শকের ভিড়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জীবনে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা এতে আবর্তিত এবং এসব ঘটনার খুঁটিনাটি বিষয় ছাড়া অধিকাংশই অনেকের জানা। স্পর্শকাতর বিষয়কে কিভাবে পর্দায় তুলে আনা হলো এটা দেখার আগ্রহ সবার।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে পরিবারসহ ছবিটি দেখতে এসেছেন কবির আহমেদ নামের এক মধ্যবয়সী। ছবিটি দেখার আগ্রহ কেন? এমন প্রশ্নে তিনি বললেন, আমি একাত্তরের যুদ্ধের সময় ছোট। কিন্তু উপলব্ধি ছিল, সেসব ভয়াবহ পরিস্থিতির। বড় হয়ে জানতে পারি আমাদের নেতা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জীবন খুবই মর্মান্তিক। দেশের জন্য অকাতরে তিনি জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন, তাকে কিভাবে পর্দায় তুলে আনা হলো, এই কৌতূহল নিয়েই সবাইকে নিয়ে ছবিটি দেখতে এসেছি।

ঠিক একই কথার পুনরাবৃত্তি করলেন পুরান ঢাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ ময়নুল। তিনি বললেন, আমরা পাঁচ বন্ধু মিলে ছবিটি দেখতে এসেছি। এতদিন আমাদের চিত্রনায়ক আরিফিন শুভকে দেখেছি অ্যাকশন ঘরানার ছবিতে অভিনয় করতে। তিনি আমাদের প্রিয় বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে কেমন অভিনয় করেন এটাই দেখার আগ্রহ।

মালিবাগ থেকে ছবিটি দেখতে এসেছিলেন মন্দিরা নামের এক মহিলা। তিনি বললেন, বসুন্ধরা সিনেপ্লেক্সে দেখতে গিয়েছিলাম কিন্তু অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে মধুমিতায় আসলাম। শুনেছি ছবিটি অসাধারণ হয়েছে। একজন মহান নেতাকে পর্দায় তুলে আনা খুব কঠিন, তার পরও এই কঠিন কাজটি করা হয়েছে ভারত-বাংলাদেশ মিলে, একারণেই দেখতে আসা।

মধুমিতা সিনেমা হল থেকে রাজধানীর বসুন্ধরা সিনেপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, এখানেও দর্শকের উপচেপড়া ভিড়। শুক্রবার সকালের শো মাত্র শেষ, হল থেকে সারিবদ্ধ হয়ে বের হচ্ছে দর্শক। কাউকে ঠিকমতো জিজ্ঞাসা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। পাওয়া গেল মোহম্মদপুর থেকে আগত দর্শক আনিস আহমেদকে। তিনি বললেন, অসাধারণ একটি ছবি দেখলাম। বঙ্গবন্ধুর মতো ব্যক্তির চরিত্রকে শুভ কিভাবে ফুটিয়ে তুললেন, অবাক হয়েছি।

ফার্মগেটের রহমান শেখ এসেছিলেন পরিবারসহ। জানালেন, পরিবারসহ কোনো সিনেমা দেখতে যাওয়া হয় না। যেখানে বঙ্গবন্ধুর নাম জড়িত না এসে পারলাম না। বয়োপিক কখনোই ফুলফিল পর্দায় তুলে আনা সম্ভব নয়। তবু যেটুকু নিয়ে গেলাম মনে থাকবে। বঙ্গবন্ধুর স্ত্রীর চরিত্রে তিশার অভিনয় অসাধারণ লেগেছে। শুভ চেষ্টা করেছে তার সর্বোচ্চটা দিতে। ভুলগুলো বাদ দিয়ে মোটের ওপর ছবিটি খুব ভালো লেগেছে।

হল থেকে একজন চোখের জল মুছতে মুছতে বের হচ্ছিলেন। কেমন দেখলেন ছবি? জিজ্ঞেস করতেই কেঁদে ফেললেন, বললেন এ ছবি যে দেখবে সে না কেঁদে পারবে না। বঙ্গবন্ধুর মর্মান্তিক মৃত্যু আমরা সবাই জানি, কিন্তু সেটাকে পর্দায় এভাবে দেখব ভাবতে পারছি না। সবাই যে যার জায়গা থেকে ভালোই অভিনয় করেছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর এসকেএস টাওয়ারের সিনেপ্লেক্সে ‘মুজিব : একটি জাতির রূপকার’ সিনেমাটি দেখানো হয়। সেখানে এর পরিচালক শ্যাম বেনেগাল অসুস্থতার কারণে উপস্থিত থাকতে পারেননি। বাকি অনেক অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীরা উপস্থিত ছিলেন।

গ্রামের একটি সাধারণ ঘরে জন্ম নেওয়া শিশু খোকা থেকে কিভাবে বঙ্গবন্ধু হয়ে উঠলেন, তারই প্রতিচ্ছবি পর্দায় তুলে এনেছেন ভারতের প্রখ্যাত নির্মাতা শ্যাম বেনেগাল। বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ, সাহস, স্বদেশ প্রেম, দৃঢ়তা কিভাবে অবিচল তা এ ছবিতে উঠে এসেছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে ঘাতকের বুলেটে নির্মমভাবে মৃত্যু হয় হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ এই বাঙালি নেতার, এসব মাত্র দুই ঘণ্টা আটান্ন মিনিটে তুলে আনা হয়েছে এই চলচ্চিত্রে।

এর আগে ১ অক্টোবর রাজধানীর এক অভিজাত হোটেলে আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রটির মুক্তির তারিখ ঘোষণা করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। অনুষ্ঠানে শেষবারের মতো চলচ্চিত্রটির ট্রেলার ও পোস্টার উন্মোচন করেন মন্ত্রী। চলচ্চিত্রটি ৩১ জুলাই আনকাট সেন্সর ছাড়পত্র পায়। ৭৫তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের একটি ট্রেলার প্রকাশ হয়েছিল। ছবিটি টরন্টো ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে দেখানো হয়েছিল। ২০২২ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীতে চলচ্চিত্রটির প্রথম পোস্টার, ৩ মে দ্বিতীয় পোস্টার এবং ১৯ মে ফ্রান্সের কান চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটির ট্রেলার প্রকাশ করা হয়।

এই ঐতিহাসিক সিনেমায় প্রায় দেড়শ’ চরিত্রের মধ্যে শতাধিক বাংলাদেশি শিল্পী অভিনয় করেছেন। এতে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ। এ ছাড়া শেখ হাসিনা চরিত্রে অভিনয় করেছেন নুসরাত ফারিয়া এবং বঙ্গবন্ধুর স্ত্রী ফজিলাতুন নেছা মুজিবের চরিত্রে নুসরাত ইমরোজ তিশা। স্বাধীনতার ৫০ বছর পর হলেও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বায়োপিক নির্মাণ একটি কালজয়ী পদক্ষেপ মনে করছেন অনেকে।

বাংলাদেশের ৬০ ভাগ ও ভারতের ৪০ ভাগ ব্যয়ে নির্মিত এই বায়োপিকের শুটিং ২০২১ সালের ২২ জানুয়ারি ভারতের মুম্বাই ফিল্ম সিটিতে শুরু হয়ে ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশে শেষ হয়। মুম্বাইয়ের দাদা সাহেব ফিল্ম সিটি, গুরগাঁও ফিল্ম সিটিসহ বেশ কয়েকটি এলাকায়, বঙ্গবন্ধুর ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরের বাড়ি, টুঙ্গিপাড়ার গ্রামের বাড়ির আদলে সেট সাজিয়ে দৃশ্য ধারণ হয়।

২০১৯ সালের মার্চে বাংলাদেশে ছবিটির দৃশ্যধারণ শুরুর কথা থাকলেও করোনাভাইরাস মহামারির কারণে তা পিছিয়ে ২০২১ সালের জানুয়ারিতে গড়ায়।

চলচ্চিত্রটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে খায়রুল আলম সবুজ (লুৎফর রহমান ৬৫-৯৪), দিলারা জামান (সাহেরা খাতুন), ফজলুর রহমান বাবু (খন্দকার মোস্তাক), চঞ্চল চৌধুরী (বঙ্গবন্ধুর পিতা লুৎফর রহমানের মধ্য বয়সী), সায়েম সামাদ (সৈয়দ নজরুল ইসলাম), শহীদুল আলম সাচ্চু (এ কে ফজলুল হক), প্রার্থনা দীঘি (ছোট রেণু), রাইসুল ইসলাম আসাদ (আবদুল হামিদ খান ভাসানী), গাজী রাকায়েত (আব্দুল হামিদ), তৌকীর আহমেদ (সোহরাওয়ার্দী), রিয়াজ (তাজউদ্দিন আহমদ), সিয়াম আহমেদ (শওকত মিয়া), মিশা সওদাগর (জেনারেল আইয়ুব খান), এলিনা (বেগম খালেদা জিয়া) ও জায়েদ খান (টিক্কা খান)।

যশোরে আওয়ামী লীগের ১১শ’ নেতাকর্মী একসঙ্গে উপভোগ করলেন বায়োপিক ॥ স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস থেকে জানান, মুক্তির প্রথম দিনে যশোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী নিয়ে নির্মিত ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমার প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেল সাড়ে তিনটার দেশের ঐতিহ্যবাহী প্রেক্ষাগৃহ যশোরের মনিহারে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের জন্য প্রদর্শনীর আয়োজন করেন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার এমপি। এতে বিভিন্ন বয়সী ১১শ’ দর্শক বেশ আনন্দ ও  রোমাঞ্চিত হয়ে সিনেমাটি উপভোগ করেন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ‘মুজিব : একটি জাতির রূপকার’ শুধুই একটি সিনেমা নয়; বাংলাদেশের ইতিহাসের অমূল্য প্রামাণ্য চিত্রও বটে। এটি সাধারণ এক কিশোরের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হয়ে ওঠার গল্প।

প্রদর্শনী আয়োজন নিয়ে যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার এমপি বলেন, ‘পৃথিবীর অনেক বরণ্যে রাজনীতিবিদ, স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতাদের নিয়ে সিনেমা নির্মিত হয়েছে। এর মাধ্যমে সেসব দেশের মানুষসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মানুষ তাদের নেতাদের সম্পর্কে জানতে পারছেন। ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমার মাধ্যমেও এদেশের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ জাতির পিতা শেখ মুজিবকে জানতে পারবে। বঙ্গবন্ধুর জীবনী সম্পর্কে যারা না জানেন তারা এই সিনেমা দেখে জানতে পারবেন। এই সিনেমা দেখে যেন বঙ্গবন্ধুর সম্পর্কে সবাই অবগত হতে পারেন সে জন্য সবার দেখার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রায় প্রতিদিনই সাধারণ মানুষদের নিয়ে হলে এসে সিনেমা দেখবেন। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধু ও দেশের সঠিক ইতিহাস জানাতে অভিভাবকদের হলে এসে সিনেমাটি দেখার আহ্বান জানান।   

যশোর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম মাহমুদ হাসান বিপু বলেন, ধন্যবাদ জানাই যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারকে। এই ধরনের সুন্দর উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য। এই সিনেমা দেখে সবাই বঙ্গবন্ধুর জীবনী সম্পর্কে জানতে পারবে। বঙ্গবন্ধুর জীবনী জানলে সবাই বুঝতে পারবে স্বাধীনতা যুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা। শেখ সাদিয়া মৌরিন নামে এক দর্শনার্থী বলেন, বঙ্গবন্ধুর জীবনী সম্পর্কে অনেক কিছুই অজানা ছিল। এই সিনেমা দেখে এখন কিছু জানতে পারলাম বঙ্গবন্ধুর ত্যাগের কথা। মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বসহ অনেক অবদান রয়েছে। মুজিব একটি চেতনা যে আমরা বলি সত্যি মুজিব চেতনা। এই সিনেমা দেখে আরও ভালোভাবে জানতে পেরেছি মুজিব এই দেশের জন্য কি করেছেন। বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের জন্যই এই দেশ স্বাধীন হয়েছে। হলের ব্যবস্থাপক তোফাজ্জেল হোসেন বলেন, বাংলাদেশের জন্মের ইতিহাস নির্ভর সিনেমা ‘মুজিব : একটি জাতির রূপকার’। এমন একটি সিনেমা হলে প্রদর্শিত করতে পেরে নিজেরা গর্বিত বোধ করছি। নিজের দেশ ও দেশের সঠিক ইতিহাস জানতে সিনেমা হলে এসে সিনেমা দেখার জন্য নতুন প্রজন্মকে অনুরোধ করেন এই সিনেমা হল কর্তৃপক্ষ।

সিনেমা সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সিনেমা দুরন্ত এক কিশোরের গল্প দিয়ে শুরু হয়। কিশোরটি থাকে গ্রামে। সারাক্ষণ খেলা আর বন্ধুদের নিয়ে মেতে থাকে। বন্ধুদের হয়ে কখনো প্রতিবাদ করতে গিয়ে জড়িয়ে পড়ে মারামারিতে। বাবার কাছে নানা অভিযোগ আসতে থাকে। কিন্তু কিশোর অন্যায়কে মেনে নেয় না। অধিকার নিয়ে কথা বলতে গিয়েই একসময় কিশোর মুজিব জড়িয়ে যান রাজনীতিতে। অংশ নেন ভাষা আন্দোলনে।

যুক্ত হন রাজনীতিতে। গণঅভ্যুত্থান থেকে মুক্তিযুদ্ধের ডাক-ইতিহাসের সেই সত্য ঘটনা উঠে এসেছে সিনেমায়। রাজনীতির বাইরের বঙ্গবন্ধুও আছেন সিনেমায়। পর্দায় দেখা যাবে তার ব্যক্তিগত জীবনের নানা অজানা গল্প। প্রসঙ্গত, ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন শ্যাম বেনেগাল। এর চিত্রনাট্য রচনা করেছেন শামা জাইদি ও অতুল তিওয়ারি। ২০২১ সালের ২১ জানুয়ারি এর দৃশ্যধারণের কাজ শুরু হয়। এটি নির্মাণ করতে ৮৩ কোটি টাকা বাজেট ছিল। সিনেমাটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের ‘বিএফডিসি’ (বাংলাদেশ) ও ভারতের ‘এনএফডিসি’। এটি বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজি তিনটি ভাষায় করা হয়েছে। সিনেমাটির ব্যাপ্তিকাল ২ ঘণ্টা ৫৮ মিনিট।

আজকের টাঙ্গাইল
আজকের টাঙ্গাইল