• শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৬ ১৪৩১

  • || ২২ জ্বিলকদ ১৪৪৫

আজকের টাঙ্গাইল

সোনালী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসারসহ চারজনের কারাদণ্ড

আজকের টাঙ্গাইল

প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৩  

প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে রাজধানীর মতিঝিল থানায় করা মামলায় সোনালী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার মো. নাইমুল ইসলামসহ চারজনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন- সোনালী ব্যাংকের হিসাবধারী রফিকুল ইসলাম, মো. আল আমিন ও মোছা. লিপি বেগম।

মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মো. ইকবাল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে আসামি নাইমুলের প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের দুটি পৃথক ধারায় ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেন। পাশাপাশি ৮১ লাখ টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের সাজা দেওয়া হয়েছে। অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অপর তিন আসামির প্রত্যেককে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন পাশাপাশি প্রত্যেককে ৮১ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

এদিন কারাগারে আটক আসামি নাইমুল ও রফিকুলকে আদালতে হাজির করা হয়। জামিনে থাকা আসামি আল আমিন আদালতে উপস্থিত হন। তাদের উপস্থিতিতে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। তবে আসামি লিপি উপস্থিত না থাকায় আদালত তার বিরুদ্ধে সাজাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৭ সালের ২৬ ডিসেম্বর থেকে ২০১৮ সালের ২১ জুন পর্যন্ত আসামিরা বিভিন্ন তারিখে এক কোটি ১৯ লাখ ১৯ হাজার ২০৪ টাকা নির্ধারিত হিসাবে জমা না করে চারটি হিসাবে পরস্পর যোগসাজশে স্থানান্তর করে প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন।

এ ঘটনায় ২০১৮ সালের ২৩ জুন সোনালী ব্যাংকের ওয়াপদা ভবন কর্পোরেট শাখার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে গত ২০২০ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ চারজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। পরবর্তী ২০২২ সালের ৮ মার্চ পলাতক লিপি বেগমের অনুপস্থিত আসামিদের বিচার শুরু হয়। মামলাটির বিচার চলাকালীন বিভিন্ন সময়ে ১৭ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

আজকের টাঙ্গাইল
আজকের টাঙ্গাইল