• শনিবার ২২ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৮ ১৪৩১

  • || ১৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

সর্বশেষ:

খুলনায় আশ্রয়কেন্দ্রে লক্ষাধিক মানুষ

আজকের টাঙ্গাইল

প্রকাশিত: ২৭ মে ২০২৪  

বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমালের অগ্রভাগের প্রভাবে বৃষ্টিসহ দমকা বা ঝড়ো হাওয়া অব্যাহত রয়েছে। এটি আরো উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে মোংলার কাছ দিয়ে সাগর আইল্যান্ড (পশ্চিমবঙ্গ)-খেপুপাড়া উপকূল অতিক্রম করছে। তবে এরপর ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব কমে যাবে তেমনটি নয়। কেন্দ্র অতিক্রম করা শেষ হওয়ার পর এর শেষ অংশও উপকূলসহ তীরবর্তী অঞ্চলে প্রভাব ফেলবে। ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চল খুলনার কয়রায় হালকা, মাঝারি ও ভারী বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া বইছে। সময় বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বাতাসের গতিবেগও বেড়ে চলেছে। এতে ভয় বাড়ছে উপকূলের মানুষের। স্বাভাবিকের চেয়ে জোয়ারের ৩ থেকে ৪ ফুট পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দুর্বল বেড়িবাঁধ নিয়ে উৎকণ্ঠায় মানুষ। মাইকিং করে সতর্কতা জানানো হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় আতঙ্কে পরিবার-পরিজন নিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটছে মানুষ। এরইমধ্যে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন। দাকোপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়দেব চক্রবর্তী জানান, ১০ নম্বর বিপদ সংকেত ঘোষণার পরই মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে আসার জন্য মাইকিং শুরু হয়। বেলা দেড়টা পর্যন্ত উপজেলার ১৩০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১৯ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। খুলনা জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলার জন্য খুলনার ৬০৪টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুপুরে প্রবল জোয়ারে কয়েক এলাকায় বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ায় অনেকেই সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিয়েছেন। এরইমধ্যে প্রায় ১ লাখ মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে এসেছেন।

আজকের টাঙ্গাইল
আজকের টাঙ্গাইল