• শনিবার   ০২ জুলাই ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১৮ ১৪২৯

  • || ০২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৩

আজকের টাঙ্গাইল

সখীপুর থেকে সপ্তাহে ৩০ লাখ টাকার কাঁঠাল যাচ্ছে সারাদেশে

আজকের টাঙ্গাইল

প্রকাশিত: ২০ জুন ২০২২  

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কয়েকটি হাট থেকে সপ্তাহে প্রায় ৩০ লাখ টাকার কাঁঠাল যাচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। এতে লাভবান হচ্ছেন কাঁঠালগাছের মালিক ও ব্যবসায়ীরা।

উপজেলায় কাঁঠালের হাটগুলোর অন্যতম কুতুবপুর। এ হাট কুতুবপুর কলার হাট হিসেবে বেশি পরিচিত থাকলেও জ্যৈষ্ঠে রূপ পাল্টে হয়ে যায় কাঁঠালের হাট। উপজেলার বড়চওনা ইউনিয়নে অবস্থিত এ হাটে সপ্তাহে প্রায় ৩০ লাখ টাকার কাঁঠাল কেনা-বেচা হয়। সপ্তাহের শনি-রবি ও মঙ্গল-বুধবার বসে এ হাট। এখানে বিক্রীত কাঁঠাল প্রতিদিন রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠানো হচ্ছে।

এ ছাড়া সপ্তাহের বৃহস্পতিবার নলুয়া বাজার, সোমবার দেওদীঘি ও শনিবার বসে তক্তারচালা হাট। সব মিলিয়ে সখীপুর থেকে প্রতি সপ্তাহে প্রায় অর্ধকোটি টাকার কাঁঠাল যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।

কুতুবপুর হাটে কাঁঠালগাছের মালিক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কৃষক ও খুচরা ব্যবসায়ীরা শনিবার বিকেল থেকে রোববার দুপুর পর্যন্ত এবং মঙ্গলবার বিকেল থেকে বুধবার দুপুর পর্যন্ত হাটে কাঁঠাল আনেন। পরে এখান থেকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা কাঁঠাল কিনে দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি করেন।

হাটের আড়তদার আবুল কালাম জানান, প্রতি হাটে এখানকার ১২ থেকে ১৫ ট্রাক কাঁঠাল দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে। সে হিসাবে প্রতিটি হাটে হাতবদল হয় প্রায় ১৫ লাখ টাকা। সপ্তাহের দুই দিনে যার অঙ্ক দাঁড়ায় প্রায় ৩০ লাখ টাকা।

স্থানীয় কাঁঠাল ব্যবসায়ী নুরু মিয়া, আবদুল করিম, ছোহরাব আলী ও ঠান্ডু মিয়া জানান, সখীপুরের বিভিন্ন গ্রাম থেকে কাঁঠাল কিনে অল্প লাভে কুতুবপুর, দেওদীঘি, তক্তারচালা হাটে পাইকারদের কাছে বিক্রি করেন তাঁরা। ছোট-বড় আকার অনুযায়ী প্রতিটি কাঁঠাল বিক্রি হয় ৩০ থেকে ৮০ টাকা।

নারায়ণগঞ্জ থেকে কাঁঠাল কিনতে আসা আখতার হোসেন বলেন, ‘আমি প্রতি সপ্তাহে কাঁঠাল কিনতে সখীপুরে আসি। এক ট্রাক কাঁঠাল (দুই হাজার) নিয়ে যাই, সারা সপ্তাহ ধরে বিক্রি করি।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিয়ন্তা বর্মন বলেন, সখীপুরের প্রতিটি বাড়িতেই কমবেশি কাঁঠালগাছ দেখা যায়। এ অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে কাঁঠাল চাষ করে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আজকের টাঙ্গাইল
আজকের টাঙ্গাইল