• বুধবার   ১৮ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৪ ১৪২৯

  • || ১৭ শাওয়াল ১৪৪৩

আজকের টাঙ্গাইল
সর্বশেষ:
টাইমবাজারে অভিজাত প্রসাধনী সামগ্রী নিয়ে আমানিয়া স্টোর`র উদ্ধোধন মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে দেশে ফিরেছিলাম: প্রধানমন্ত্রী একমাত্র শেখ হাসিনাই বাংলাদেশের জন্য অপরিহার্য: শেখ পরশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা গৌতম ঘোষের সাক্ষাৎ এসডিজি অর্জনে সম্মিলিত চেষ্টা ও উদ্ভাবনী ভাবনায় গুরুত্বারোপ আরও এক শ’ কারিগরি স্কুল ও কলেজ হচ্ছে ‘বাংলাদেশের পরিস্থিতি শ্রীলঙ্কার মতো হওয়ার সুযোগ নেই’ গম রপ্তানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশের জন্য নয় পুরস্কার পাবেন মাঠ পর্যায়ে ভূমির সেরা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট থেকে আয় ৩০০ কোটি ছাড়িয়েছে: বিএসসিএল

যমুনার তীরে হাজারো দর্শনার্থীদের ঢল

আজকের টাঙ্গাইল

প্রকাশিত: ৫ মে ২০২২  

ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপ্রান্তে যমুনার তীরে হাজারো দর্শনার্থীদের ঢল নেমেছে। ঈদের দিন দুপুর থেকে বিনোদন প্রেয়সীরা এই নদীর পাড়ে ভিড় করছেন। টাঙ্গাইল জেলার বাইরে থেকেও রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার লোকজন এই যমুনার তীরে আসছেন।

এতে করে ব্যস্ত সময় পার করছে নৌকা চালকরা। স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি আয় করছেন তারা। দর্শনার্থীদের জন্য নিরাপত্তা দিচ্ছে নৌ পুলিশ। সকলেই ঈদের আনন্দ ভাগাভাগির মধ্যে ছুটির দিনগুলো অতিবাহিত করছেন।
 
স্থানীয়রা জানান, ১৯৯৮ সালের জুন মাসে বঙ্গবন্ধু যমুনা বহুমুখী সেতু চালু হয়। এতে করে রাজধানী ঢাকার সাথে উত্তরবঙ্গের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো সহজ হয়। সেই সেতুকে কেন্দ্র করে সেতুর দক্ষিণ পাশে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন বিনোদনের জন্য আসতে শুরু করে। প্রায় এক যুগ ধরে ওই স্থানটি বিনোদনকেন্দ্রে রূপ নিয়েছে। তাই ঈদকে কেন্দ্র করে পরিবারের সদস্যসহ প্রিয়জনদের নিয়ে এখানে আনন্দ উপভোগ করতে আসেন দর্শনার্থীরা।
 
বুধবার (৪ মে) বিকেলে সরেজমিন দেখা গেছে, যমুনার তীরে কয়েক হাজার মানুষের ভিড়। আনন্দ উপভোগ করতে আসা দর্শনার্থীর কেউ এসে ইঞ্জিন চালিত নৌকা, কেউ স্পিডবোটে আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠে।
 
গাজীপুর থেকে আসা রফিক সিকদার বলেন, আমার শহরে কোলাহলের মাঝে বসবাস করি। একটু স্বস্তির জন্য নিরিবিলি যমুনার পাড়ে এসেছি। এখানে এসে আমার খুব ভাল লাগছে। মন খারাপ হলে একটু শান্তির জন্য এখানে চলে আসি।
 
অপরজন সুমাইয়া বলেন, এখানে বসার ব্যবস্থার পাশাপাশি নারীদের জন্য টয়লেটের ব্যবস্থা করলে অনেক ভাল হয়। মধুপুর থেকে আসা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এখানে প্রতি ঈদেই বেড়াতে আসি। কক্সবাজারের মতো বসার ব্যবস্থা ও পাশে মানসম্মত খাবারের রেস্তোরাঁ হলে আমাদের মতো দর্শনার্থীদের অনেক উপকার হবে।

নৌকা চালক ইয়াকুব আলী ও ইদ্রিস আলী বলেন, যমুনা ব্রিজের নিচ দিয়ে ঘুরে আসতে ২৫/৩০ মিনিট সময় লাগে। জন প্রতি ৩০/৫০ টাকা নেওয়া হয়। স্বাভাবিক সময়ে তেমন লোকজন হয় না। কোন কোন দিন এক-দেড়শ টাকা আয় হয়। তবে ঈদের কয়েকদিন আয় ভালই হয়। ঈদের সময়ে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা আয় করা যায়।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব নৌ পুলিশ স্টেশনের অফিসার ইনচার্জ ফজলুল হক মল্লিক বলেন, দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার জন্য আমরা সার্বক্ষণিক তৎপর আছি। নৌকা ও নদীর ঘাটে পুলিশের বিশেষ নজরদারি রাখা হয়েছে। এখনও আইনশৃঙ্খলার কোনো অবনতি ঘটেনি।

আজকের টাঙ্গাইল
আজকের টাঙ্গাইল