• বুধবার   ১৮ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৪ ১৪২৯

  • || ১৭ শাওয়াল ১৪৪৩

আজকের টাঙ্গাইল
সর্বশেষ:
টাইমবাজারে অভিজাত প্রসাধনী সামগ্রী নিয়ে আমানিয়া স্টোর`র উদ্ধোধন মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে দেশে ফিরেছিলাম: প্রধানমন্ত্রী একমাত্র শেখ হাসিনাই বাংলাদেশের জন্য অপরিহার্য: শেখ পরশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা গৌতম ঘোষের সাক্ষাৎ এসডিজি অর্জনে সম্মিলিত চেষ্টা ও উদ্ভাবনী ভাবনায় গুরুত্বারোপ আরও এক শ’ কারিগরি স্কুল ও কলেজ হচ্ছে ‘বাংলাদেশের পরিস্থিতি শ্রীলঙ্কার মতো হওয়ার সুযোগ নেই’ গম রপ্তানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশের জন্য নয় পুরস্কার পাবেন মাঠ পর্যায়ে ভূমির সেরা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট থেকে আয় ৩০০ কোটি ছাড়িয়েছে: বিএসসিএল

এই ঈদে সখীপুরে ২৬ কোটি টাকার রেমিট্যান্স এসেছে

আজকের টাঙ্গাইল

প্রকাশিত: ১ মে ২০২২  

টাঙ্গাইলের সখীপুরে গতবারের চেয়ে এবার ঈদে ৬ কোটি টাকা বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। স্বজনদের ঈদ উদ্‌যাপনের জন্য এবার ২৫ কোটি ৯১ লাখ ১০ হাজার টাকা পাঠিয়েছেন ৩ হাজার ৬২৬ জন প্রবাসী। গত রোজার ঈদের আগে তাঁরা পাঠিয়েছিলেন ১৯ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।

সবচেয়ে বেশি টাকা এসেছে অগ্রণী ব্যাংক সখীপুর বাজার শাখায়। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড। গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত সখীপুরের ১১টি সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের রেমিট্যান্স বিভাগে খোঁজ নিয়ে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

গত বছর রমজান মাসে করোনা পরিস্থিতি ছিল। এরপরও স্বজনদের ঈদের কেনাকাটা করতে প্রবাসীরা ১৯ কোটি ৯৮ লাখ টাকা পাঠিয়েছিলেন। এবার করোনার প্রাদুর্ভাব নেই। তাই এবার স্বজনদের ঈদ উদ্‌যাপন করতে প্রবাসীদের পাঠানো টাকা বেড়েছে। ১১টি ব্যাংকের মধ্যে শুধু অগ্রণী ব্যাংকের সখীপুর বাজার শাখায় ১ হাজার ২৪০টি হিসাবে (অ্যাকাউন্টে) ১২ কোটি ১০ লাখ ৩৯ হাজার টাকা এসেছে, যা বাকি ১০ ব্যাংকের অর্ধেক।

রেমিট্যান্স পাঠানোর দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড সখীপুর শাখা। এ শাখায় এবারের রমজানে টাকা জমা হয়েছে ৫ কোটি ২ লাখ ১০ হাজার টাকা। তৃতীয় অবস্থানে সোনালী ব্যাংক সখীপুর শাখা। সোনালী ব্যাংকে ৩ কোটি ৭২ লাখ ৪৭ হাজার টাকা এসেছে। চতুর্থ অবস্থানে মার্কেন্টাইল ব্যাংক। তাঁদের ২৩১টি অ্যাকাউন্টে ১ কোটি ১৫ লাখ ৩২ হাজার টাকা প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন।

গড়গোবিন্দপুর গ্রামের জেসমিন আক্তারের স্বামী চার বছর ধরে মালয়েশিয়ায় রয়েছেন। এবার তাঁর স্বামী ন্যাশনাল ব্যাংকের হিসাবে ঈদ করার জন্য ১ লাখ টাকা পাঠিয়েছেন। শ্বশুর, শাশুড়ি ও বাচ্চাদের জন্য নতুন জামাকাপড়, জুতা, শাড়ি ছাড়াও নিত্যপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা করতে সখীপুর শহরের বিপণিবিতানে এসেছেন। জেসমিন বলেন, গত বুধবার তাঁরা ব্যাংক থেকে টাকা তুলে বৃহস্পতিবার এসেছেন কেনাকাটা করতে।

টাঙ্গাইল শাড়িঘরের মালিক ইউসুফ আলী বলেন, ‘প্রবাসীদের স্ত্রীরা বেশি বেশি শাড়ি কিনছেন। প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকার শাড়ি বিক্রি হচ্ছে। প্রবাসীরা টাকা না পাঠালে তাঁদের বেচাকেনা হয়তো কমে যেত বলে তিনি জানান।

ইউএনও ফারজানা আলম বলেন, ‘প্রবাসীরা অনেক পরিশ্রম করে টাকা রোজগার করে নিজের জন্মভূমিতে পাঠাচ্ছেন। সেই রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের অভিনন্দন ও ঈদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।’

আজকের টাঙ্গাইল
আজকের টাঙ্গাইল