• বুধবার   ১৮ মে ২০২২ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৪ ১৪২৯

  • || ১৭ শাওয়াল ১৪৪৩

আজকের টাঙ্গাইল
সর্বশেষ:
টাইমবাজারে অভিজাত প্রসাধনী সামগ্রী নিয়ে আমানিয়া স্টোর`র উদ্ধোধন মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে দেশে ফিরেছিলাম: প্রধানমন্ত্রী একমাত্র শেখ হাসিনাই বাংলাদেশের জন্য অপরিহার্য: শেখ পরশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা গৌতম ঘোষের সাক্ষাৎ এসডিজি অর্জনে সম্মিলিত চেষ্টা ও উদ্ভাবনী ভাবনায় গুরুত্বারোপ আরও এক শ’ কারিগরি স্কুল ও কলেজ হচ্ছে ‘বাংলাদেশের পরিস্থিতি শ্রীলঙ্কার মতো হওয়ার সুযোগ নেই’ গম রপ্তানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশের জন্য নয় পুরস্কার পাবেন মাঠ পর্যায়ে ভূমির সেরা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট থেকে আয় ৩০০ কোটি ছাড়িয়েছে: বিএসসিএল

পুস্পা সিনেমার লাল চন্দন গাছের সন্ধান মিলেছে মধুপুর বনে

আজকের টাঙ্গাইল

প্রকাশিত: ২২ এপ্রিল ২০২২  

দক্ষিণী অভিনেতা আল্লু অর্জুনের জনপ্রিয় পুস্পা সিনেমার সেই লাল চন্দন (রক্ত চন্দন) গাছের সন্ধান মিলেছে টাঙ্গাইলে। গাছটি নাম। এরপর থেকেই গাছটিকে এক নজরে দেখতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসছেন দর্শনার্থীরা। এই রক্তচন্দন গাছ হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজাসহ ওষধী কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। মহামূল্যবান এই গাছটি রক্ষনাবেক্ষন ও বংশবিস্তারের জন্য ইতিমধ্যেই বন বিভাগ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহন করেছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতি বিজরিত টাঙ্গাইলের মধুপুর দোখলা বন বিশ্রামাগারে এই আলোচিত রক্ত চন্দন গাছের সন্ধান পাওয়া যায়। মধুপুর রেঞ্জের বন কর্মকর্তা মো. ইসমাইল হোসেন জানান, এই গাছেরা ফুল-ফল ও বীজ না হওয়া বংশবৃদ্ধি করা যাচ্ছে না। তাই উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনার মাধ্যমে বংশবিস্তারের ব্যবস্থা নেয়া হবে তিনি জানিয়েছেন। তবে কে বা কারা এই গাছটি রোপন করেছিলেন এর কোন তথ্য নেই বন বিভাগের কাছে।

এদিকে গাছটি দেখতে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন স্থান থেকে ভীর করছেন দর্শনার্থীরা। গাছটির ফুল-ফল বা বীজ না হওয়ায় ভিন্ন উপায়ে বংশবিস্তারের দাবি জানিয়েছেন দর্শনার্থীরা। বন বিভাগ সূত্র জানায়, ১৯৭১ সালের ১৮ জানুয়ারি থেকে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব অবস্থান করেছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর নানা কর্মকান্ডের সাক্ষীরাখা সেই বিশ্রামাগারের সামনেই রয়েছে এই রক্ত চন্দন গাছটি। এতদিন এই গাছ নিয়ে কোন আলোচনা না হলেও বর্তমানে আল্লু অর্জুনের পুষ্পা ছবি মুক্তির পরপরই এটি নিয়ে আলোচনার ঝড় বইছে পুরো জেলা জুড়ে। এর আগ পর্যন্ত অজানাই ছিলো

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি এবং জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক এ কে এম মহিউদ্দিন জানান, বিলুপ্তি এই মহামূলবান চন্দন গাছটি টিসু কালচারের মাধ্যমে বংশবিস্তারে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে চান তিনি।

আজকের টাঙ্গাইল
আজকের টাঙ্গাইল