সশস্ত্র বাহিনী জাতির আস্থার প্রতীক হিসেবে গড়ে উঠেছে:প্রধানমন্ত্রী
আজকের টাঙ্গাইল
প্রকাশিত: ২১ নভেম্বর ২০২৩

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনী জাতির আস্থার প্রতীক হিসেবে গড়ে উঠেছে।
তিনি বলেন, ‘পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী যেকোন দুর্যোগ মোকাবিলা, অবকাঠামো নির্মাণ, আর্তমানবতার সেবা, বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা এবং বিভিন্ন জাতিগঠনমূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করছে। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণ আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছেন। এভাবে সশস্ত্র বাহিনী আজ জাতির আস্থার প্রতীক হিসেবে গড়ে উঠেছে।’
আজ সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষ্যে গতকাল সোমবার দেয়া এক বাণীতে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে পুনরায় সরকার গঠনের পর প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন যুগোপযোগী সামরিক বাহিনী গঠনের লক্ষ্যে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা ‘ফোর্সেস গোল-২০৩০’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর আধুনিকায়ন, সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন করছি।
তিনি বলেন, ২০১৬ সালে ‘বাংলাদেশ পিস বিল্ডিং সেন্টার’ প্রতিষ্ঠা করেছি। জাতির পিতা প্রণীত প্রতিরক্ষানীতিকে যুগোপযোগী করে ‘জাতীয় প্রতিরক্ষানীতি, ২০১৮’ প্রণয়ন করেছি। এ্যারোস্পেস ও এভিয়েশন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি। আমরা সিএমএইচগুলোকে অত্যাধুনিক হাসপাতালে রূপান্তরিত করেছি।
শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা স্বাধীনতার পর একটি আধুনিক ও চৌকস সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার কাজ শুরু করেন। সেনাবাহিনীর জন্য তিনি মিলিটারি একাডেমি, কম্বাইন্ড আর্মড স্কুল এবং প্রতিটি কোরের জন্য ট্রেনিং স্কুলসহ আরো অনেক সামরিক প্রতিষ্ঠান ও ইউনিট গঠন করেন। তিনি ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঘাঁটি স্থাপন করেন এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগে ভারত ও যুগোশ্লাভিয়া থেকে নৌবাহিনীর জন্য যুদ্ধ জাহাজ সংগ্রহ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ সালে সে সময়ের অত্যাধুনিক সুপারসনিক মিগ-২১ যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার, পরিবহন বিমান, এয়ার ডিফেন্স রাডার ইত্যাদি বিমান বাহিনীতে যুক্ত করেন। তিনি ১৯৭৪ সালেই একটি প্রতিরক্ষানীতি প্রণয়ন করেন। দুর্ভাগ্য, জাতির পিতাকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যার পর বাঁধাগ্রস্থ হয় দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা।
তিনি বলেন, দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে আমরা সরকার গঠন করি। নতুন প্রজন্মের নিকট মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরি। সামরিক বাহিনীর আধুনিকায়নে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করি। ১৯৯৮ সালে ‘ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ’ এবং ‘মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজি’, ১৯৯৯ সালে ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস সাপোর্ট অপারেশন ট্রেনিং’ এবং ‘আর্মড ফোর্সেস মেডিক্যাল কলেজ’ প্রতিষ্ঠা করি। আমরাই সর্বপ্রথম ২০০০ সালে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীতে নারী অফিসার নিয়োগ করি।
শেখ হাসিনা বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দূরদর্শী, সাহসী এবং ঐন্দ্রজালিক নেতৃত্বে ২৩ বছরের রাজনৈতিক সংগ্রাম ও ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাঙালি জাতি পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙ্গে স্বাধীনতা অর্জন করে।
তিনি বলেন, আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর একটি বিশেষ গৌরবময় দিন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর অকুতোভয় সদস্যরা এ দিনে সম্মিলিতভাবে দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণের সূচনা করেন। মুক্তিবাহিনী, বিভিন্ন আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যরা ও দেশপ্রেমিক জনতা এই সমন্বিত আক্রমণে একতাবদ্ধ হন।
শেখ হাসিনা বলেন, দখলদার বাহিনী আত্মসমর্পণে বাধ্য হয়। হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে ১৬ই ডিসেম্বর আমরা চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করি। মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জাতির অগ্রযাত্রা ও বিজয়ের স্মারক হিসেবে প্রতি বছর ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালন করা হয়।
সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জ্বীবিত হয়ে দেশপ্রেম, পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাবেন এমন আশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা সক্ষম হবো, ইনশাআল্লাহ।
বাণীতে তিনি সশস্ত্র বাহিনী দিবস ২০২৩ উপলক্ষ্যে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সকল সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে জীবন উৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর সকল শহিদ ও মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
একই সাথে প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনী দিবস ২০২৩ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

- স্বতন্ত্রপ্রার্থী চিত্রনায়িকা মাহির মনোনয়ন বাতিল
- চার মাসে রাজস্ব আয় বেড়েছে ১৪.৩৬ শতাংশ
- হালাল পণ্য তৈরি, বিক্রিতে সনদ লাগবে
- দেশে সবুজ কারখানার সংখ্যা বেড়ে ২০৪
- তৈরি পোশাকের নতুন বাজার খোঁজার পরামর্শ
- তৈরি পোশাক শিল্পের উন্নয়নে নানামুখী পদক্ষেপ সরকারের
- যার জনপ্রিয়তা আছে সে জিতে আসুক
- গভীর সমুদ্র থেকে পাইপলাইনে তেল খালাসের যুগে বাংলাদেশ
- কিছু বিদেশি রাষ্ট্র চায় বাংলাদেশ যেন তাদের হুকুম মতো চলে: জয়
- কঠোর অবস্থানে ইসি
- ইসির নির্দেশে দুই জেলার ডিসি বদলি
- যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়ায় ‘বাংলাদেশ এভিনিউ’র উদ্বোধন আজ
- নভেম্বর পর্যন্ত রেকর্ড ১২ লাখ ৪ হাজার কর্মী বিদেশ গেছেন
- বিএনপির ৫২ নেতা দল ত্যাগ করে নির্বাচনে
- বৈদেশিক মুদ্রায় রাখা যাবে আমানত
- জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তর
- কৃষি ঋণ খাদ্য নিরাপত্তায় সহায়ক
- জিয়াউর রহমান খুনি ছিলো
- আগামী ১৮ ডিসেম্বরের আগে নির্বাচনি প্রচারণার সুযোগ নেই : ইসি
- প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয় : রাষ্ট্রপতি
- প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে রাষ্ট্রের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়
- টেকনাফ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ২লাখ ৬০হাজার পিস ইয়াবা ও আইস জব্দ
- ইসি’র সিদ্ধান্তে আওয়ামী লীগের আস্থা রয়েছে : ওবায়দুল কাদের
- বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা নির্মাণে প্রধানমন্ত্রী নিবেদিত প্রাণ
- কোটালীপাড়া মুক্ত দিবস আজ
- বিএনপির কালোহাত জনগণই ভেঙে দেবে: ওবায়দুল কাদের
- ডিপফেক থেকে সুরক্ষিত থাকার উপায়
- রংপুরে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে সড়ক-সেতুর নির্মাণকাজ
- গাজার ভবিষ্যৎ কী হবে তা ঠিক করবে হামাস: এরদোগান
- দেশের জন্য সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করতে হবে
- নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবেন কারা, জানালেন ইসি সচিব
- সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ
- অনলাইনে নির্বাচন ব্যবস্থা সহজ ও পরিশুদ্ধ হবে
- কমলো সরকারিভাবে হজের খরচ
- বিএনপি পারে শুধু ভোট চুরি করতে: প্রধানমন্ত্রী
- চোরাগোপ্তা হামলায় সরকার ফেলা যায় না
- মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ৩০ নভেম্বর
- যমুনায় বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর নির্মাণ কাজ ৭৩ ভাগ শেষ
- বরিশাল হবে শান্তির নগরী: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
- জনগণকে অগ্নিসংযোগকারীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান
- ‘আঞ্চলিক হাবের’ কাজ শুরু
- বাংলাদেশকে ১০ লাখ ডেঙ্গু টেস্টের কিট দেবে চীন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- সায়মা ওয়াজেদকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন
- ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেনের চূড়ান্ত সময়সূচি
- সংবিধান বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শনেরই দর্পণ: স্পিকার
- ঢাকা-কক্সবাজার ট্রেনে ভাড়া নির্ধারণ
- প্রধানমন্ত্রীর মসজিদে নববী জিয়ারত
- ইইউর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য
- সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টকে আরও ১০ কোটি টাকা দেয়ার ঘোষণা
- বিশ্বমানের চলচ্চিত্র তৈরি করুন: প্রধানমন্ত্রী
