• মঙ্গলবার   ১৮ মে ২০২১ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ৩ ১৪২৮

  • || ০৬ শাওয়াল ১৪৪২

আজকের টাঙ্গাইল

যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ স্বীকৃতি পাচ্ছেন শেখ হাসিনা

আজকের টাঙ্গাইল

প্রকাশিত: ১১ এপ্রিল ২০২১  

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বিশেষ দূত ও জলবায়ু বিষয়ক উপদেষ্টা জন কেরি এই সুসংবাদ বয়ে নিয়ে এসেছেন বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র। ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসও বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর নেতৃত্বে বাংলাদেশের অবদানের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বিশেষ সম্মাননা ও স্বীকৃতি পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বিশেষ দূত ও জলবায়ু বিষয়ক উপদেষ্টা জন কেরি এই সুসংবাদ বয়ে নিয়ে এসেছেন বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র।
ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসও বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আট ঘণ্টার সফরে পৌঁছান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ুবিষয়ক বিশেষ দূত ও উপদেষ্টা উপদেষ্টা জন কেরি।
দুপুরে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আগামী ২২-২৩ এপ্রিল, প্রেসিডেন্ট জোসেফ বাইডেনের ‘লিডার্স সামিট অন ক্লাইমেট’-এর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জন কেরির আজকের এই ঢাকা সফর। যেখানে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর নেতৃত্বে বাংলাদেশের অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বীকৃতি পাবেন।’
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রেসিডেন্টের বাইডেনের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব প্রশমন ও অভিযোজনের প্রয়াসে বাংলাদেশ এবং অন্য ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর সঙ্গে অংশীদারত্বের জন্য সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করতে আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, পরিবেশমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, ভালনারেবল ফোরাম প্রেসিডেন্সির বিশেষ দূত আবুল কালাম আজাদ, সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন।
ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম ও ভালনারেবল টোয়েন্টি গ্রুপ অব ফাইন্যান্স মিনিস্টার্সের চেয়ার হিসেবে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং জলবায়ু ঝুঁকির সঙ্গে খাপ খাওয়ানো ও সহনশীলতা অর্জনে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস জানায়, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন জোরদার করতে যুক্তরাষ্ট্রের যে অঙ্গীকার, তার গুরূত্বই তুলে ধরছে কেরির এই সফর। প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূতের আলোচনায় জলবায়ু নীতি, বিনিয়োগ, উদ্ভাবন এবং টেকসই অর্থনৈতিক বিকাশের মাধ্যমে সমৃদ্ধি বাড়ানোর ক্ষেত্রে সহযোগিতার ওপর আলোকপাত করা হবে।
জলবায়ু অর্থায়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে একটি গোলটেবিল বৈঠকেও অংশ নেবেন বাইডেনের বিশেষ দূত কেরি। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলার তার সরকারি বাসভবনে এই আলোচনার আয়োজন করবেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জলবায়ু সংকট রোধে প্রশমন ও অভিযোজনকে সহায়তা দিতে এবং সমৃদ্ধিকে সমর্থন জোগাতে যে বিনিয়োগ দরকার। তা সংগ্রহের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও বেসরকারি খাতের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার আন্তর্জাতিক উদ্যোগে গুরূত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে বিবেচিত বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে যুক্তরাষ্ট্র কতটা গুরূত্ব দেয়, কেরির এই সফর সেটি তুলে ধরেছে বলে বিবৃতিতে বলা হয়।
নভেম্বরে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের (ইউএনএফসিসিসি) ২৬তম কনফারেন্স অফ দ্য পাটিজ (কপ২৬) অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে এই সফরের অংশ হিসেবে আবুধাবি ও নয়াদিল্লিতেও যাত্রা বিরতি করেন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের এই বিশেষ দূত।
যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মিলারের উদৃতি দিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আপনারা আগেও দেখেছেন এবং অব্যাহতভাবে দেখবেন যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে জলবায়ু পরিবর্তনকে আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় এবং বহুপক্ষীয় আলোচনার সব পর্যায়ে যুক্ত করছে।
‘এসব আলোচনায় আমরা অন্য নেতাদের জিজ্ঞেস করছি, আমরা একসঙ্গে কীভাবে আরও বেশি কাজ করতে পারি। গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র প্যারিস চুক্তিতে আনুষ্ঠানিকভাবে পুনরায় যোগদানের পর এক বিবৃতিতে একথা বলেন সেক্রেটারি অব স্টেট অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন।’

আজকের টাঙ্গাইল
আজকের টাঙ্গাইল