• বুধবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||

  • আশ্বিন ৭ ১৪২৭

  • || ০৫ সফর ১৪৪২

আজকের টাঙ্গাইল
সর্বশেষ:
এক মিনিটের ঝড়ে লন্ডভন্ড কাজিপুরের তিন গ্রামের পঞ্চাশ বাড়িঘর জয়তু শেখ হাসিনা দাবা প্রতিযোগীতায় ১৪ গ্র্যান্ডমাস্টার মির্জাপুরে তিতাস গ্যাসের অভিযানে ৮ রাইজার ও ৫০ চুলা বিচ্ছিন্ন জার্মানির সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য বৃদ্ধিতে কাজ করতে হবে: স্পিকার কভিড-১৯ ভ্যাক্সিন সমবন্টনে ১৫৬ টি দেশের ‘ঐতিহাসিক চুক্তি’ মির্জাপুর পৌরসভার মেয়র হলেন আ.লীগের প্রার্থী সালমা দেশে আবারও লকডাউন নিয়ে যা ভাবছে সরকার মির্জাপুরে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রস্তুতি কমিটি গঠন দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ইস্যুতে যা বললেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার করে প্রজ্ঞাপন জারি
৪৩৪

বন্ধুদের সাথে নিয়ে ভাবিকে ধর্ষণ!

আজকের টাঙ্গাইল

প্রকাশিত: ২ জুন ২০২০  

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই গৃহবধূর মা বাদী হয়ে গৃহবধুর দেবরসহ ১১ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে ধর্ষণের সময় ধারণ করা ভিডিও ক্লিপ।

 

গ্রেফতাররা হলেন- উপজেলার বড়টিয়া ইউনিয়নের মৌহালী গ্রামের ছলিম মিয়ার ছেলে ওয়াসিম হোসেন (২০), সাজাহান মিয়ার ছেলে রাকিব হোসেন (২০) ও আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে রেদোয়ান (২০)। রোববার (৩১ মে) রাত থেকে সোমবার (১ জুন) ভোর পযর্ন্ত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

 

ওই গৃহবধূর মা জানান, ঈদের দিন তার মেয়ে তাদের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। পরদিন সকালে প্রতিবেশী দেবর ওয়াসিম ফোন করে তার অবস্থান জেনে নেয়। সকাল ১০টার দিকে বাড়ির পাশে বড়টিয়া বাজারে মোবাইলে ফ্লেক্সিলোড করতে গেলে তার সঙ্গে ওয়াসিমের দেখা হয়। এ সময় ওয়াসিমের বন্ধু রাকিবও সঙ্গে ছিল। ওয়াসিম কথা আছে বলে হাঁটতে হাঁটতে তার মেয়েকে নিয়ে একটি নির্জন বাড়ির পেছনে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষায় ছিল অন্যান্যা আসামিরা। যারা সবাই ওয়াসিমের বন্ধু-বান্ধব এবং এলাকায় বখাটে হিসেবে পরিচিত।

 

সেখানে তার মেয়ের হাত-মুখ চেপে ধরে পালাক্রমে ধর্ষণ করে তারা। সেই দৃশ্য তারা মোবাইল ফোনে ভিডিও করে। ঘটনার পর বখাটেরা পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে অসুস্থ অবস্থায় তার মেয়েকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন স্বজনরা। পরে বিস্তারিত জানতে পারেন তারা।

 

এদিকে এ ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালায় স্থানীয় একটি মহল। তিনদিন পর ঘটনা জানতে পেরে ভিকটিমকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। রোববার রাতে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে মামলা করেন।

 

ঘিওর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল আলম জানান, লোকমুখে ঘটনা জানার পর ভিকটিমকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তারা খুবই দরিদ্র হওয়ার কারণে মামলা না করার জন্য স্থানীয় একটি মহল পরামর্শ দিয়েছিল। গণধর্ষণ মামলায় ১১ জন আসামি। যাদের প্রত্যেকের বয়স ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 

ওসি আরও জানান, সোমবার সকালে জেলা সদর হাসপাতালে ওই গৃহবধূর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

আজকের টাঙ্গাইল
আজকের টাঙ্গাইল
সারাদেশ বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর