• শুক্রবার   ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||

  • আশ্বিন ৩ ১৪২৭

  • || ৩০ মুহররম ১৪৪২

আজকের টাঙ্গাইল
৫৮

পাহাড়ে থাকা উপজাতিদের বুঝতে হবে ও নির্ধারণ করতে হবে তারা কি চান?

আজকের টাঙ্গাইল

প্রকাশিত: ৯ আগস্ট ২০২০  

কথিত আদিবাসী স্বীকৃতি নাকি শান্তি চুক্তির পূর্নাঙ্গ বাস্তবায়ন— এই দুটি হতে কোনটা? যদি তারা আদিবাসী স্বীকৃতি চান তবে তাদের পরিহার করতে হবে পার্বত্য শান্তি চুক্তি এবং তার সমস্ত সুবিধা।

কেননা পার্বত্য শান্তি চুক্তিতে উল্লেখিত ধারার (ক) সাধারন অংশে ১ নং শর্তে পার্বত্য চট্টগ্রামকে আদিবাসী নয় উপজাতীয় অধ্যুসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষনা করা হয়েছে। অর্থাৎ পার্বত্য শান্তি চুক্তি অনুযায়ী আপনি যদি বিশ্লেষন করেন তবে পার্বত্য ক্ষুদ্র-নৃ-গোষ্ঠীরা আদিবাসী নন, তারা উপজাতি।

আর এটাই শান্তি চুক্তির সর্ব প্রথম শর্ত। আজ চুক্তি অনুযায়ী তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের অনির্বাচিত তিন উপজাতি চেয়ারম্যান, খুনী শন্তু আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান— এই সমস্ত ক্ষমতা এবং চুক্তির প্রতিফলন তাদের আদিবাসী পরিচয়ে নয়, বরংচ উপজাতি পরিচয়ে।

সুতরাং আজ যে সমস্ত উপজাতি ভাই নিজেদের পরিচয় উপজাতি বদলে আদিবাসী রাখতে চাইছেন তারা সম্পুর্নভাবে শান্তি চুক্তিকে অবমাননা করছেন। আমার মতে যেদিন হতে এদেশে আদিবাসী ইস্যুটি জন্ম নিয়েছে সেদিন হতে শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন ধীর গতি সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে।

চুক্তি বাস্তবায়নে এই আদিবাসী শব্দটিই প্রধান প্রতিবন্ধক। সরকার বারবার পার্বত্য উপজাতীয় নেতাদের উদ্দেশ্যহীন দাবির কারনে পার্বত্য সমস্যা সমাধানে হোচট খাচ্ছে।

একদিকে উপজাতিরা এদেশে কখনোই আদিবাসী নয়। অর্থাৎ তাদের আদিবাসী স্বীকৃতি দেওয়া রাষ্ট্রের পক্ষে সম্পুর্ন অসম্ভব। কিন্তু তারা সেই দাবি তুলছে! আবার চুক্তি অনুযায়ী তারা তাদের আসল পরিচয় উহ্য করে বৈদেশিক অপশক্তির ফাঁদে পড়ে চুক্তির অবমাননা পূর্বক রাষ্ট্র বিরোধী কর্মকান্ডে সর্বদা লিপ্ত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কিভাবে সাধারন উপজাতির মুক্তি সম্ভব? বরংচ সাধারন উপজাতিরা তাদের সসস্ত্র গ্রুপের অত্যাচারে নাজেহাল হয়ে আছে।

তাই সাধারন উপজাতিদের পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে পার্বত্য বাঙ্গালীদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করা উচিত। বৃদ্ধি করা উচিত সাম্প্রদায়িক আস্থা। যাতে সরকার পাহাড়ে সমস্যা সমাধানে সঠিক ভাবে কাজ করতে পারে।

উপজাতি ভাইদের আরও মনে রাখা উচিত …. সমতলের যে সমস্ত কথিত সুশিল বন্ধু, মানবদরদী ছদ্দবেসে আজ তাদের আদিবাসী করতে চাইছে, বিভিন্ন মন্তব্য করছে প্রকৃতপক্ষে তারা তাদের বন্ধু নয় শত্রু।

এই কথিত সুশিলরা সহজ সরল পার্বত্য উপজাতিদের পন্য হিসেবে ব্যবহার করে বৈদেশিক চক্রান্ত মতে দালালী করছে।

এই সমস্ত দালাল হতে মুখ ফেরানো পার্বত্য উপজাতিদের অস্তিত্ব্য রক্ষায় বর্তমানে আবশ্যক।

আজকের টাঙ্গাইল
আজকের টাঙ্গাইল