• শনিবার   ০৫ ডিসেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২১ ১৪২৭

  • || ১৯ রবিউস সানি ১৪৪২

আজকের টাঙ্গাইল
২৪

করোনার মধ্যেই নতুন ভাইরাসের সংক্রমণ

আজকের টাঙ্গাইল

প্রকাশিত: ১৮ নভেম্বর ২০২০  

মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যেই আরেক মারাত্মক ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু। সেই ভাইরাস শরীরে বাসা বাঁধলেই মারাত্মক হেমারেজিক জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে রোগী। সম্প্রতি দক্ষিণ আমেরিকার দেশ বলিভিয়ায় খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাসটি।
যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ বিষয়ক সংস্থা সিডিসি বিরল এই ভাইরাস নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। 

সংস্থাটির বিজ্ঞানীরা বলছেন, চাপার নামের ওই ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির থেকে অন্য ব্যক্তির সংক্রামিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই ভাইরাসের সংক্রমণে ইবোলার মতো রক্তক্ষরণ জ্বর হতে পারে।

২০০৪ সালে রাজধানী লা পাজের পূর্বাংশে অবস্থিত চাপার এলাকায় এই ভাইরাসের একটি ছোটোখাটো প্রাদুর্ভাব দেখা গিয়েছিল। এলাকার নামানুসারেই ভাইরাসটির নাম চাপার। লা পাজ থেকে ওই অঞ্চল ৩৭০ মাইল দূরে অবস্থিত। ইবোলার মতই চাপারের প্রাদুর্ভাব বন্ধ হয়ে যায়। তবে ২০১৯ সালে আবার দেখা দেয়।

এক গবষেণার বরাত দিয়ে লাইভ সাইন্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, তখন লা পাজে এই ভাইরাসে পাঁচজন আক্রান্ত হন। মারা যান তিনজন। আক্রান্তদের মধ্যে স্বাস্থ্যকর্মী ছিলেন ৩ জন। যাদের ২ জন ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন।

সিডিসির সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ক্যাটলিন কোসাবুম দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, সম্ভবত ‘বডি ফ্লুইড’‌-এর মাধ্যমে ভাইরাসটি ছড়াতে পারে। এছাড়াও, বিশ্বাস করা হয় যে ভাইরাসটি ইঁদুর থেকে সৃষ্টি হয়েই মানুষের মধ্যে ছড়ায়। এর পরে এটা মানুষের থেকে মানুষে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

লাইভ সাইন্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে পেটব্যথা, বমি, চোখব্যথা, ত্বকজ্বালা, চুলকানি, ঘা হবে। সঙ্গে থাকে হেমারেজিক জ্বর। রক্ত, প্রস্রাব, বীর্য, লালার মতো শারীরিক তরলের মাধ্যমে এই ভাইরাস অন্য মানুষের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। শারীরিক তরল হলো।

আজকের টাঙ্গাইল
আজকের টাঙ্গাইল
আন্তর্জাতিক বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর