• বুধবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||

  • আশ্বিন ৮ ১৪২৭

  • || ০৫ সফর ১৪৪২

আজকের টাঙ্গাইল
সর্বশেষ:
এক মিনিটের ঝড়ে লন্ডভন্ড কাজিপুরের তিন গ্রামের পঞ্চাশ বাড়িঘর জয়তু শেখ হাসিনা দাবা প্রতিযোগীতায় ১৪ গ্র্যান্ডমাস্টার মির্জাপুরে তিতাস গ্যাসের অভিযানে ৮ রাইজার ও ৫০ চুলা বিচ্ছিন্ন জার্মানির সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য বৃদ্ধিতে কাজ করতে হবে: স্পিকার কভিড-১৯ ভ্যাক্সিন সমবন্টনে ১৫৬ টি দেশের ‘ঐতিহাসিক চুক্তি’ মির্জাপুর পৌরসভার মেয়র হলেন আ.লীগের প্রার্থী সালমা দেশে আবারও লকডাউন নিয়ে যা ভাবছে সরকার মির্জাপুরে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রস্তুতি কমিটি গঠন দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ইস্যুতে যা বললেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব পেঁয়াজ আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার করে প্রজ্ঞাপন জারি
৫৫

ইমডেমনিটি আইন: বাংলাদেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতির সূচনা

আজকের টাঙ্গাইল

প্রকাশিত: ১৫ আগস্ট ২০২০  

১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট সপবিারে হত্যা করা হয় বাংলাদেশের স্থপতি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার আমাদের প্রাপ্য ছিল কিন্তু ১৯৭৫ সালের ২৬শে সেপ্টেম্বর ক্যুখ্যাত ইমডেমনিটি (দায়মুক্তি) অধ্যাদেশ জারি করে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের হাত ধরে ক্ষমতায় আসা খন্দকার মোশতাক। এতে বলা হয়, ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত বা পরিকল্পনার সাথে জড়িত কারো বিরুদ্ধে কোন আদালতে মামলা করা যাবেনা। এমনকি সুপ্রীম কোর্ট বা কোর্ট মার্শালেও তাদের বিচার করা যাবেনা। অফিসে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও রুদ্ধ করা হয় অধ্যাদেশে।

বাংলাদেশের সংবিধানে হত্যাকাণ্ডের বিচারপ্রাপ্তির মৌলিক অধিকারকে খর্ব করে আদেশটিকে আইনে পরিণত করেন জিয়াউর রহমান।

 

১৯৭৯ সালের ৯ই জুলাই সংসদে পাশ হয় মানবতাবিরোধী ইমডেমনিটি আইন। দেশে শুরু হয় বিচারহীনতার সংস্কৃতি। শাস্তির পরিবর্তে পুরস্কৃত করা হয় খুনিদের। দেয়া হয় বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি। দূতাবাসের চাকরির পাশাপাশি মহান পবিত্র সংসদেও ১৯৮৮ ও ১৯৯৬ সালে প্রতিনিধত্ব করে বঙ্গবন্ধুর খুনিরা।

 

১৯৯৬ সালের ১২ই নভেম্বর ক্যুখ্যাত ইনডেমনিটি আইনটি বাতিল করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন শেখ হাসিনার সরকার। আর এভাবেই খুলে যায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচারের পথ। এর ধারাবাহিকতায় বাঙালি জাতি হয় কলঙ্কমুক্ত।

আজকের টাঙ্গাইল
আজকের টাঙ্গাইল
জাতীয় বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর