• শনিবার   ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ||

  • ফাল্গুন ১৬ ১৪২৬

  • || ০৫ রজব ১৪৪১

আজকের টাঙ্গাইল
৬৫

আবারও দিল্লির মসনদে বসছেন কেজরিওয়াল

আজকের টাঙ্গাইল

প্রকাশিত: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০  

বিধানসভা নির্বাচনে ব্যাপক জয়ে টানা তৃতীয় মেয়াদে ভারতের দিল্লির মসনদে বসতে যাচ্ছেন আম আদমি পার্টির (এএপি) শীর্ষ নেতা ও মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী রাজ্যের মোট ৭০টি আসনের মধ্যে ৬২টিতেই জয় নিশ্চিত করেছে তার দল। আর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি জিতেছে মাত্র ৮টি আসনে।

মঙ্গলবার বিপুল ভোটে জয় নিশ্চিত হওয়ার পর তিনি বলেন, ‘কাজ দেখেই মানুষ ভোট দিয়েছে।’

 

স্থানীয় সময় সকাল আটটা থেকে ভোট গণনা শুরু হয়। বুথফেরত জরিপে এগিয়ে ছিল আম আদমি পার্টি। সময় যত এগিয়ে যায় ভোটের ব্যবধানও তত বাড়তে শুরু করে। ভোটে বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে থাকার খবর প্রকাশ হতেই দলীয় কার্যালয়ে দলীয় কর্মী ও সমর্থকরা ভিড় করতে শুরু করে।

 

বিকাল ৪টার মধ্যে বিধানসভার ৭০ আসনের মধ্যে এএপি’র আসন সংখ্যা ৬২-তে গিয়ে ঠেকে। আর বিজেপির আসন সংখ্যা কমতে কমতে এসে ঠেকে ৮টিতে। আর কংগ্রেস পার্টি কোনো আসনই পায়নি।

 

এরপরই দিল্লিতে সাধারণ মানুষের উদ্দেশে বার্তা দেন কেজরিওয়াল। তিনি বলেন, ‘এ জয় মানুষের জয়। কাজে বিশ্বাস রেখে ভোট দিয়েছেন সবাই। নতুন রাজনৈতিক যুগের সূচনা করেছেন।’

 

দিল্লিবাসীকে ধন্যবাদ দিয়ে তিনি বলেছেন, ‘তৃতীয় বার আম আদমি পার্টির উপর ভরসা রাখার জন্য দিল্লিবাসীকে ধন্যবাদ। যারা আমাকে নিজের ছেলে বলে মনে করেন, যারা আমাদের ভোট দিয়েছেন, আজকের এই জয় তাদের জয়।’

 

এর আগে ২০১৩ সালে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে প্রথমবারের মতো অংশ নেয় আম আদমি পার্টি। ওই বছরের ২৮ ডিসেম্বর আম আদমি পার্টি দিল্লি বিধানসভায় সংখ্যালঘু সরকার গঠন করে। সরকার গঠনে কংগ্রেস কেজরিওয়ালের এই দলের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করে। ফলে বিজেপিকে হারিয়ে অরবিন্দ কেজরিওয়াল দিল্লির দ্বিতীয় কনিষ্ঠতম মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পায়। পরে আবারো ২০১৫ সালের নির্বাচনে আম আদমি পার্টি ৬৭ আসনে জয় নিয়ে ক্ষমতায় আসেন তিনি।

 

দিল্লির সরকারি বিদ্যালয়গুলির উন্নয়ন, সাশ্রয়ী মহল্লা ক্লিনিক স্থাপন এবং স্বল্পমূল্যে পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য প্রশংসা পেয়েছেন কেজরিওয়াল। প্রচারে কেন্দ্রের কাছ থেকে পুলিশ বাহিনী ও ভূমির নিয়ন্ত্রণ নিতে বৃহত্তর স্বায়ত্তশাসনের পক্ষে জনমত চেয়েছেন তিনি।

 

অন্যদিকে, বিজেপি ভারতের বিতর্কিত নতুন নাগরিকত্ব আইনের (সিএএ) বিরুদ্ধে দিল্লির মুসলিমপ্রধান এলাকা শাহিনবাগের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ‘তিক্ত’ প্রচার চালিয়েছে।

 

দিল্লিবাসীর জন্য কেজরিওয়াল বাহিনীর নানা প্রতিশ্রুতি, বিপরীতে বিজেপির জাতীয়তাবাদী প্রচারের মধ্যে নাগরিকত্ব সংশোধন আইন (সিএএ), নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি), জনসংখ্যা নিবন্ধন (এনপিআর) ও শাহিনবাগ আন্দোলনসহ নানা ঘটনার মধ্যে এবারে দিল্লিতে ভোট হয়েছে।

আজকের টাঙ্গাইল
আজকের টাঙ্গাইল
আন্তর্জাতিক বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর